ভারতীয় কিশোরের মাত্র ১৩ বছর বয়সে দুবাইয়ে সফটওয়্যার কোম্পানি খুলে চমক
মাত্র ১৩ বছর বয়সে দুবাইয়ে নিজের সফটওয়্যার কোম্পানি খুলে তাক লাগিয়ে দিল আদিত্যায়ন রাজেশ। রবিবার খালিজ টাইমসে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে রাজেশের কৃতিত্ব এই প্রথম নয়। চার বছর আগে, নয় বছর বয়সে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে নজির গড়েছিল কেরলের এই বাসিন্দা। রাজেশ বলে, কেরলের তিরুভিল্লায় জন্ম হলেও মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে দুবাই চলে আসি আমি। সেই সময়ে আমার বাবা আমায় প্রথম ওয়েবসাইট দেখান। বিবিসি টাইপিং। ওই ওয়েবসাইটটিতে ছোটরা সাধারণত টাইপ করা শেখে।
দুবাইয়ে আসার পরে মাত্র পাঁচ বছর বয়সে কম্পিউটারে হাতেখড়ি হয় আদিত্যায়নের। একাকীত্ব কাটাতে ধীরে ধীরে ওয়েব জগতে মজে যায় সে। ন’বছর বয়সে তৈরি করে ফেলে একটি মোবাইল অ্যাপ। সেখবর সামনে আসার পরেই ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকে তার। ধাপে ধাপে গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন লোগো, ওয়েবসাইট তৈরির কাজ শুরু করে রাজেশ। শেষ পর্যন্ত এবার নিজের সফটওয়্যার কোম্পানি ‘ট্রাইনেট সলিউশনস’ চালু করল সে। বর্তমানে এই সংস্থায় মোট তিনজন কর্মী রয়েছে। তারা সকলেই আদিত্যায়নের সহপাঠী এবং বন্ধু। নিজের সংস্থা প্রসঙ্গে সে আরও বলে, ‘প্রতিষ্ঠিতভাবে সংস্থার মালিক হওয়ার জন্য আমাকে ১৮ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদিও এখন আমরা সংস্থার ধাঁচেই কাজ করছি। এখনও পর্যন্ত আমরা ১২ জন গ্রাহকের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের বিনামূল্যে কোডিং সার্ভিস এবং ডিজাইনও দিয়েছি আমরা।’
দুবাইয়ে আসার পরে মাত্র পাঁচ বছর বয়সে কম্পিউটারে হাতেখড়ি হয় আদিত্যায়নের। একাকীত্ব কাটাতে ধীরে ধীরে ওয়েব জগতে মজে যায় সে। ন’বছর বয়সে তৈরি করে ফেলে একটি মোবাইল অ্যাপ। সেখবর সামনে আসার পরেই ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকে তার। ধাপে ধাপে গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন লোগো, ওয়েবসাইট তৈরির কাজ শুরু করে রাজেশ। শেষ পর্যন্ত এবার নিজের সফটওয়্যার কোম্পানি ‘ট্রাইনেট সলিউশনস’ চালু করল সে। বর্তমানে এই সংস্থায় মোট তিনজন কর্মী রয়েছে। তারা সকলেই আদিত্যায়নের সহপাঠী এবং বন্ধু। নিজের সংস্থা প্রসঙ্গে সে আরও বলে, ‘প্রতিষ্ঠিতভাবে সংস্থার মালিক হওয়ার জন্য আমাকে ১৮ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদিও এখন আমরা সংস্থার ধাঁচেই কাজ করছি। এখনও পর্যন্ত আমরা ১২ জন গ্রাহকের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের বিনামূল্যে কোডিং সার্ভিস এবং ডিজাইনও দিয়েছি আমরা।’

কোন মন্তব্য নেই